সরঞ্জাম বাছার আগে ঠিক কোন কাজ উন্নত হবে জানুন। প্রতিষ্ঠানের সব কাজ স্বয়ংক্রিয় করা বড় লক্ষ্য; নির্দিষ্ট অনুরোধ দেখে রিপোর্ট বানানো ইনপুট, ধাপ ও ফলে সংজ্ঞায়িত করা যায়।
এটি সারা OS-এর পাইলট নির্বাচনের প্রস্তাবিত কাঠামো, আগে থেকে সব সংযোগ প্রস্তুত ও সক্রিয় থাকার তালিকা নয়।
স্পষ্ট সীমানার কাজ বাছুন
অ্যাপ, শুরু, দরকারি তথ্য ও শেষের চিহ্ন লিখুন। তালিকা থেকে নির্বাচিত অবস্থা দেখে পর্যালোচনার সারাংশ হতে পারে পাইলট। প্রথম পরীক্ষায় অর্থ প্রদান, তথ্য মুছা বা গ্রাহককে বার্তা লাগতেই হবে না।
আগে দেখুন পরিবেশ প্রযুক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ ও ব্যবহারযোগ্য এবং উদ্দেশ্য তার সীমার সঙ্গে মেলে কি না। বিষয় নির্বাচন প্রযুক্তিগত পরীক্ষার বিকল্প নয়।
ব্যর্থতার পরিস্থিতিও লিখুন
শুধু সহজ পথ দিয়ে পাইলট বিচার নয়। তথ্য না পাওয়া, সাইন আউট, পৃষ্ঠা বদল বা সংযোগ ছুটলে কী হবে? যেকোনো মূল্যে চলার বদলে থেমে জানানো গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
কোন কাজ নিরাপদে পুনরায় করা যায় তাও নির্ধারণ করুন। আবার অবস্থা দেখা একই অর্ডার দুবার দেওয়া নয়; পরীক্ষায় এই পার্থক্য রাখুন।
পরীক্ষার আগে সাফল্যের মানদণ্ড লিখুন
সময়, ফলের নির্ভুলতা, ত্রুটি ও মানব হস্তক্ষেপ তুলনার পরামর্শ দিই। ফলের আগে মানদণ্ড নিন, যেন শুধু ভালো উদাহরণ দেখানো মূল্যায়ন না হয়।
গ্রহণযোগ্য পাইলটের পরে পরিধি বাড়ানো যায়। লক্ষ্য যেকোনো মূল্যে কাজের সংখ্যা বাড়ানো নয়, ব্যবসা যার ফল মানতে ও ভুলের কারণ বুঝতে পারে সেই প্রক্রিয়া।
সারা OS-এর ব্যবহার ভাবতে নির্দিষ্ট কাজ লিখুন: কোথায় শুরু, কী অনুমতি ও সঠিক শেষ কীভাবে জানা যায়?












